অরণ্যময়
জোৎস্নারাতে
অরণ্যের মাঝে একা একা চলা পথ
মাঝে
মাঝে ভাবনার মধ্যে ঢুকে পড়ি ।এ কোথায়
স্বপ্ন
নয় তো । বৃক্ষ বট দাড়িয়ে সেথায় ।
পথটা
সরু ।
জোনাকীর
আলোয় আলোকিত বৃক্ষের শাখা-প্রশাখা ।
এ
তো অপার সৌন্দর্য ।
মন
মোহিনী আজ তৃপ্ত তোমায় দেখে ও গো অরণ্য ।
ছেদহীন,
বাধাবন্ধনহীন উদ্দাম সৌন্দর্য
ঝর্ণা
ধ্বনিত পানির শব্দ
সারা
শরীর ভিজিয়ে স্নান করে বন্য সুন্দুরী ।
তাহার
প্রেমে না আবার পড়ি ।
এই
মাঝরাতে পাগল হাওয়া করে দিয়েছে আমায় পাগল ।
লতাপাতা
জড়ানো গাছগুলো বলতে চাইছে কথা
কি
কইবে তারা ! বুঝেছে কি আমার মনের ব্যাথা ।
হাটছি
আমি গুটি গুটি পায়ে । থমকে থমকে ,
পাখিরা
সব ঘুমিয়ে আছে । শুধু জেগে নিশাচর ।
আমার
দুই পাশে বৃক্ষের সারি, দেয়াল যেন ।
মেঘেরা
খেলা করছে সাদা-কালা খেলা
আমার
মনে যেন কিসের মেলা ।
উদাসীন
ছন্নছাড়া ভবঘুরে আমি
করছে
এই অরণ্য আমার সাথে পাগলামী ।
ঘাসগুলো
পায়ের নিচে ভেঙ্গে পড়ছে
কিন্তু
শব্দহীন ।
রহস্যময়
অসীমতার, দূরধিগম্যতার,বিরাটত্বের
ভয়াল
গা ছম্-ছম্-করানো সৌন্দর্যের দিকটা ।
ছায়াময়
জোৎস্নাভরা মাতাল হাওয়া ।
ঘুম
যেন না থাকে নেত্র নলে ।
এই
রাত, এই অরণ্যের সৌন্দর্য আমায় দিল যে সুখ
আমি
ভুলতে পারব না এই অরণ্যময় রুপ ।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন